x13-এর গল্প — শুরু থেকে আজ পর্যন্ত
x13-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল একটা সরল প্রশ্ন থেকে: বাংলাদেশের মানুষ কেন একটি নির্ভরযোগ্য, বাংলায় পরিচালিত অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম পাবেন না? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই জন্ম হয়েছে x13-এর।
বাংলাদেশের মানুষ ক্রিকেটকে ভালোবাসেন প্রাণের চেয়েও বেশি। শের-ই-বাংলায় বাংলাদেশ খেললে সারাদেশ একসাথে শ্বাস ধরে থাকে। এই আবেগকে সম্মান জানিয়ে এবং একটা নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করে বেটিং উপভোগ করার সুযোগ দিতেই x13 কাজ করছে।
আমরা জানি, অনেক বেটিং সাইট আছে যারা বড় বড় কথা বলে কিন্তু সময়মতো টাকা দেয় না, শর্ত বদলে দেয় বা সাপোর্ট পাওয়া যায় না। x13 এই সংস্কৃতিটা ভাঙতে চেয়েছিল — এবং আজ ৫ বছর পরে আমরা গর্বিত যে আমাদের সদস্যরাই আমাদের সেরা প্রমাণ।
বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশের মতো করে
x13-এর প্রতিটি ফিচার তৈরি হয়েছে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে। আমরা জানি এদেশে ইন্টারনেট গতি সবসময় ভালো নয়, তাই আমাদের সাইট হালকা ও দ্রুত। আমরা জানি বিকাশ ও নগদ এখানে সবচেয়ে জনপ্রিয় পেমেন্ট পদ্ধতি, তাই এটাই আমাদের প্রধান পেমেন্ট চ্যানেল।
আমরা বাংলাদেশের উৎসবগুলো মনে রাখি — ঈদে বিশেষ অফার, পহেলা বৈশাখে উৎসবমুখর প্রোমোশন, বিশ্বকাপের সময় বুস্টেড অডস। কারণ আমাদের টিমের বেশিরভাগ সদস্যই বাংলাদেশি, এবং তাঁরা নিজেরাই এই আবেগের অংশ।
x13 বিশ্বাস করে যে বেটিং একটি বিনোদন, আয়ের নিশ্চিত উৎস নয়। তাই আমরা সবসময় দায়িত্বশীল বেটিং উৎসাহিত করি। আমাদের প্ল্যাটফর্মে বাজেট নির্ধারণ, সেলফ-এক্সক্লুশন ও সাপোর্ট সেবা সবসময় পাওয়া যায়। বিস্তারিত জানতে আমাদের দায়িত্বশীল খেলা পাতা দেখুন।
স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা
x13-এ কোনো লুকানো শর্ত নেই। প্রতিটি বোনাসের নিয়ম, প্রতিটি প্রোমোশনের শর্ত আগে থেকেই স্পষ্টভাবে জানানো হয়। আমাদের পেমেন্ট ইতিহাস, অডস গণনার পদ্ধতি — সব কিছুই স্বচ্ছ। আমরা মনে করি বিশ্বাস একদিনে অর্জন হয় না, কিন্তু একটা মিথ্যায় নষ্ট হয়ে যায়।
তাই প্রতিটি সদস্যের সাথে আমাদের সম্পর্ক শুধু ব্যবসায়িক নয় — এটা একটা দীর্ঘমেয়াদী বিশ্বাসের সম্পর্ক। আমাদের ৫ লাখেরও বেশি সদস্যের মধ্যে প্রায় ৬০% ফিরে আসেন বারবার, কারণ তাঁরা জানেন x13 তাদের সাথে সৎ।
প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন
x13 প্রযুক্তিতে বিশ্বাস করে। আমাদের লাইভ বেটিং সিস্টেম সেকেন্ডের মধ্যে অডস আপডেট করে। আমাদের অ্যাপটি যেকোনো স্মার্টফোনে মসৃণভাবে চলে। আমাদের পেমেন্ট সিস্টেম দিনরাত কাজ করে। প্রতি মাসে আমরা নতুন ফিচার যোগ করি — সদস্যদের ফিডব্যাকের উপর ভিত্তি করে।
x13 কখনো আপনার ব্যক্তিগত তথ্য তৃতীয় পক্ষের সাথে ভাগ করে না। আমাদের সম্পূর্ণ ডেটা সুরক্ষা নীতি জানতে গোপনীয়তা নীতি পাতা দেখুন।
কমিউনিটি — আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি
x13-এর সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো আমাদের সদস্য সম্প্রদায়। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী — সারাদেশে আমাদের লক্ষো সদস্য একসাথে বেটিং উপভোগ করছেন। তাঁদের পরামর্শ, ফিডব্যাক ও সাফল্যের গল্পই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা।
আমরা গর্বিত যে গত ৫ বছরে কোনো সদস্যের বৈধ জয়ের অর্থ আটকানো হয়নি। প্রতিটি বৈধ দাবি সম্মানের সাথে পরিশোধ করা হয়েছে। এই রেকর্ড আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।